অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ব্যবহৃত সব সেন্সর এর কাজ

Posted on

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ব্যবহৃত সব সেন্সর এর কাজ

android_sensors

অনেক বড় পোস্ট। তাই সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি

আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি দেশের বাজারেও বর্তমানে নিত্য নতুন প্রযুক্তি পণ্যের সমাহার রয়েছে, রয়েছে এসব পণ্যের ব্যাপক চাহিদাও। তবে নিঃসন্দেহে বলা যায় অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ও ট্যাবের চাহিদা সেই তালিকার শীর্ষে।
অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের অব্যাহত চাহিদার কথা চিন্তা করে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও চেষ্টা করে যাচ্ছে তাদের পণ্যে নতুন নতুন প্রযুক্তির সমাবেশ ঘটাতে। আর তারই প্রেক্ষিতে বর্তমানে স্মার্টফোন ও ট্যাবগুলোতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন সেন্সর, যাদের প্রত্যেকটির কাজও আলাদা।
আজ থেকে বিরতি দিয়ে ধারাবাহিকভাবে আপনাদেরকে জানাতে চেষ্টা করব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ও ট্যাবে ব্যবহৃত প্রায় সবরকম সেন্সরগুলোর নাম এবং তাদের কাজ সম্বন্ধে। তাহলে চলুন আজ শুরু করা যাক এর প্রথম পর্ব দিয়ে।

স্মার্টফোন জগতে সেন্সর এর প্রচলন আইফোন শুরু করলেও বর্তমানে প্রায় সব কোম্পানীই সেন্সর এর দিক দিয়ে ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে..

১) অ্যাক্সেলেরোমিটার (Accelerometer)
অ্যাক্সেলেরোমিটার একটি হার্ডওয়্যার বেইজড সেন্সর। মূলত এটি মাইক্রো মেকানিক্যাল ডিভাইস, যেটি কোন বস্তুর অবস্থান, গতি প্রকৃতি, কম্পন, ত্বরণ ইত্যাদি পরিমাপ করতে ব্যবহার করা হয়। অ্যাক্সেলেরোমিটার এর মাঝে বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে, যেমনঃ এক অক্ষ, দ্বি অক্ষ বা ত্রি অক্ষ বিশিষ্ট অ্যাক্সেলেরোমিটার।
অ্যাক্সেলেরোমিটারের এসব প্রকারভেদের মাঝে ত্রি অক্ষ বিশিষ্ট অ্যাক্সেলেরোমিটারই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী।
এটি খুব সহজেই ফোনের অরিয়েন্টেশন বুঝতে পারে।
অর্থাৎ আপনার ফোনে অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর অন করে যদি আপনি আপনার ফোন কে কাৎ করে ‘ল্যান্ডস্কেপ’ অথবা ‘পোরট্রেইট’ করে ধরেন, তাহলে সেটি অনুযায়ী আপনার স্ক্রিনটি পরিবর্তিত হবে। অনেক সময় আমাদের ফোনের অরিয়েন্টেশন পরিবর্তন করার দরকার পরে। যেমনঃ ওয়েব ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা, গেইম খেলা, বই পড়া বা টেক্সট পাঠানো।
এসব ক্ষেত্রে ‘পোরট্রেইট’ মোড এর চেয়ে ‘ল্যান্ডস্কেপ’ মোড ব্যবহার করা বেশী আরামদায়ক। অ্যাক্সেলেরোমিটারের কল্যাণেই আমরা সহজে মোড সুইচ করতে পারি।
অ্যাক্সেলেরোমিটারের আরও কিছু জনপ্রিয় ব্যবহার রয়েছে। যেমনঃ মিউজিক প্লেয়ার কন্ট্রোল করা (শেক টু চেঞ্জ), গেইমিং এর সময় কি প্রেস না করে শুধু টিল্ট করে কন্ট্রোল করা, কিংবা বাটন প্রেস না করে শুধু ফ্লিপ করে রিঙ্গার অফ করা (ফ্লিপ টু মিউট) ইত্যাদি।
মোট কথা, অ্যাক্সেলেরোমিটার আমাদের ফোনের অরিয়েন্টেশন কে বুঝতে পারে এবং সেটি পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন অরিয়েন্টেশনের সাথে ফোন কে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে।

এই সেন্সর সম্পর্রকে আর বিস্তারিত জানতে পারবেন..

২) অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর (Ambient Light Sesnsor)
এটিও একটি হার্ডওয়্যার বেইজড সেন্সর। স্মার্টফোনে বা ট্যাবলেট পিসি তে সেন্সরটি ব্যবহার করা হয় এর ডিসপ্লে ব্রাইটনেস অ্যাডজাস্ট করার জন্য। এই সেন্সরটি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ফটো সেল, যেগুলো আলোককণার প্রতি সংবেদনশীল।
আপনি যে পরিবেশে আছেন, সেন্সরটি সে পরিবেশের আলোর উপস্থিতি ধরতে পারে। যেমনঃ আপনি যখন কোন অন্ধকার রুম বা বদ্ধ অন্ধকার পরিবেশে যাবেন তখন সেন্সরটি আপনার ডিসপ্লে ব্রাইটনেস কমিয়ে দিবে, কারণ অন্ধকারে হালকা ব্রাইটনেসেই স্পষ্ট দেখা সম্ভব। এতে করে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারিও সাশ্রয় হবে।
আবার যখন আপনি কোন উজ্জ্বল আলোকময় পরিবেশে যাবেন, যেমন দিনের বেলায় বা সূর্যের আলোতে তখন এটি আপনার ডিভাইসের ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়িয়ে দিবে, কেননা সূর্যের আলোতে বা দিনের বেলায় আপনি অতিরিক্ত আলোর কারণে আপনার ডিসপ্লেটি ভালমত দেখতে পাবেন না। সূর্যের আলোতে স্পষ্টভাবে দেখতে আপনার অবশ্যই
বেশি ব্রাইটনেসের প্রয়োজন হবে। যেসব স্মার্টফোনে অটো ব্রাইটনেস অপশন আছে, সেগুলো সবগুলোই অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সরের মাধ্যমে কাজ করে।

৩) প্রক্সিমিটি সেন্সর (Proximity Sensor)
প্রক্সিমিটি সেন্সর স্মার্টফোনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি সেন্সর। এটিও একটি হার্ডওয়্যার বেইজেড সেন্সর। এটি আপনার স্মার্টফোনের তুলনায় কোন বস্তু কত দূরে বা কাছে রয়েছে সেটি ডিটেক্ট করতে সক্ষম।
স্মার্টফোন থেকে আপনার শরীর কতদূরে রয়েছে এটি সেন্স করেই প্রক্সিমিটি সেন্সর বুঝতে পারে। আপনি যখন আপনার ফোন কানের কাছে নিয়ে যান তখন স্বয়ংক্রিয় ভাবেই ফোনের ডিসপ্লে লাইট অফ হয়ে যায় যাতে করে আপনার ব্যাটারি খরচ কম হয়। শুধু তাই নয়, এ সেন্সর অ্যাক্টিভ হবার ফলেই আপনি যখন ফোনে কথা বলেন তখন যদি আপনার ফোনের স্ক্রিনে অসাবধানতাবশত টাচ লেগে যায় তাহলে কোন সমস্যা হবে না।
অর্থাৎ আপনি যতক্ষণ কথা বলবেন ততক্ষণ এটি আপনার ফোনকে অপ্রয়োজনীয় কাজ করা থেকে রক্ষা করবে। আপনি কানের কাছ থেকে ফোনটি সরিয়ে নিলেই পুনরায় ডিসপ্লে লাইট ফিরে আসবে।

৪) কম্পাস/ ম্যাগনেটোমিটার / ম্যাগনেটিক সেন্সর (Compass / Magnetometer / Magnetic Sensor)
সহজভাবে বলতে গেলে কম্পাস বা ম্যাগনেটিক সেন্সর পৃথিবীর মেরুর সাথে সম্পর্কিত।
সেন্সরটিতে একধরনের চুম্বক বা ম্যাগনেট ব্যবহার করা হয় যা পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড বা চুম্বক ক্ষেত্রের
সাথে ক্রিয়া করে এবং পৃথিবীর সেই দিক কে নির্দেশ করে।
মূলত ন্যাভিগেশন এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হলেও আজকাল স্মার্টফোনে বেশ ভালো ভাবেই ম্যাগনেটিক সেন্সর ব্যবহার করা হচ্ছে।
তবে স্বল্পদামী স্মার্টফোনগুলোতে এই সেন্সরটির ব্যবহার খুব বেশী লক্ষ্য করা যায় না। যেসব ফোনে নেভিগেশন ফিচারটি রয়েছে, কেবল সেসব ফোনেই এই সেন্সরটির উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। মোট কথা, পৃথিবীর বিভিন্ন মেরুর সাথে তুলনা করে আপনার অবস্থান কোথায়, এটি দেখানই ম্যাগনেটিক সেন্সর এর কাজ। অর্থাৎ স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের জিপিএস এর মাধ্যমে আমরা যে অবস্থান নির্ণয় করে থাকি, সেই কাজটি মূলত এই সেন্সটিই করে থাকে। অবস্থান নির্ণয় ছাড়াও বিভিন্ন গেম ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের কাজেও এই সেন্সরটি ব্যবহৃত হয়।

৫) গায়রোস্কোপ (Gyroscope)
কৌণিক ত্বরণের উপর ভিত্তি করে কোন কিছুর অবস্থান নির্ণয় বা পরিমাপ করার জন্য যে সেন্সর ব্যবহার করা হয় তাই জায়রোস্কোপ। অর্থাৎ স্মার্টফোনে ব্যবহৃত গায়রোস্কোপ প্রতিটি অক্ষের ঘূর্ণন গতি পরিমাপ করে থাকে।
অন্যভাবে বললে কোনো বস্তু কি হারে, কত দ্রুত কোনাকুনি ভাবে ঘুরবে সেটি নির্ণয় করা গায়রোস্কোপ এর কাজ। শুধু তাই নয়, অ্যাক্সেলেরোমিটার এবং গায়রোস্কোপ একত্রে ব্যবহারের ফলে একটি স্মার্টফোনে মোট ৬ টি অক্ষে মোশন সেন্স করতে পারে যা শুধুমাত্র অ্যাক্সেলেরোমিটারের তুলনায় কিছুটা বেশি সূক্ষ্ম ফলাফল দিতে সক্ষম।
স্মার্টফোনগুলোর মাঝে সর্বপ্রথম গায়রোস্কোপ আসে আইফোনের মাধ্যমেই। তবে ব্যায়বহুল হবার কারনে সব স্মার্টফোনে গায়রোস্কোপ দেয়া থাকে না। অপরদিকে এই সেন্সটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণও নয়। একটু বেশি সূক্ষ্ম ফলাফল নির্ণয় করা ছাড়া এর তেমন কোন কাজ নেই। তাছাড়া অনেকের ধারণা গায়রোস্কোপ না থাকলে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২ জেলি বিন এর ফটোস্ফিয়ার ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়না। এই ধারণাটাও প্রকৃতপক্ষে ভুল। গায়রোস্কোপ থাকলেও আপনি আপনার সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ফটোস্ফিয়ার ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ নেক্সাস ছাড়া আর কোন ডিভাইসে ফটোস্ফিয়ার নেই। তবে আপনি চাইলে গায়রোস্কোপ ছাড়াই নেক্সাস ক্যামেরা মড দিয়ে আপনার সাধারণ ফোনে ফটোস্ফিয়ার ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারেন, শুধু ছবিগুলো নেক্সাস ডিভাইসগুলোর চেয়ে সামান্য কম কোয়ালিটির আসবে।
আমার জানা মতে অ্যাপলের আই ফোন ৪ ডিভাইসটিতেই সর্বপ্রথম বিল্ট ইন গায়রোস্কোপ দেয়া হয়। পরবর্তীতে নেক্সাস সিরিজের সব ডিভাইসেও গায়রোস্কোপ দেয়া হয়।
বর্তমানে প্রায় সবরকম অ্যান্ড্রয়েড ফোনের পাশাপাশি দেশের বাজারে থাকা ওয়াল্টন ও সিম্ফনির বেশ কিছু ফোনেও গায়রোস্কোপ দেয়া হচ্ছে।

এছাড়াও আরও অনেক সেন্সর রয়েছে, যেমনঃ থার্মাল সেন্সর, ব্যাক ইলুমিনেটেড সেন্সর ইত্যাদি।
এরকম আর এন্ড্রয়েড সম্পর্রকিত খবর পেতে- আমাদের ফেসবুকFacebook png 1 350px পেজের সাথে সংযুক্ত থাকুন সবাইকে
আপনার একটি সঠিক মন্তব্যই পারে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে। আর মন্তব্য না করতে পারলে like বাটনে ক্লিক করুন।

আগামী বছরেই নতুন ফোন, নিশ্চিত করলো নোকিয়া

Posted on

নানা গুঞ্জন শোনা গেছে বেশ কিছুদিন। কেউ বলেছে নতুন ফোন আনছে নোকিয়া। আবার কেউ বলেছে না আনবে না। কিন্তু এবার গুঞ্জন নয়, সত্যি।

এক সময়কার বিশ্বের শীর্ষ হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড নোকিয়া নিশ্চিত করেছে তারা সামনের বছরেই নতুন ফোন নিয়ে হাজির হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে সম্প্রতি ক্যাপিটাল মাকের্ট ডে’তে দেওয়া এক প্রেজেন্টেশনে এই তথ্য জানা গেছে। ২০১৭ সালের প্রথম প্রান্তিকেই দেখা মেলবে তাদের নতুন ফোনের।

nokia-newmobile

আর নোকিয়াকে ফোন তৈরিতে সহায়তা করবে ফক্সকন। এ জন্য নোকিয়ার সঙ্গে ফক্সকন দশ বছরের চুক্তিও করেছে।

স্মার্টফোন ছাড়াও ডিজিটাল স্বাস্থ্য, ভিডিআর,অটোমাবাইল, কনজুমার ইলেক্টনিক্স নিয়ে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে কাজ করবে ফিনিশ প্রতিষ্ঠানটি।

তবে কোন ফোনটি আনতে যাচ্ছে সেই সম্পর্কে কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে কয়েক মাস ধরে অনলাইনে নানা গুঞ্জন চলছে তাতে নতুন ফোনটিতে ডি১সি নামে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম থাকবে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য ডি১সি ফোনে থাকতে পারে ১.৪ গিগাহার্টজে কোয়ালকম ৪৩০ প্রসেসর। এছাড়া থাকতে পারে অ্যাড্রেনো ৫০৫ জিপিইউ, ৩ র‍্যাম এবং ৩২ জিবি ইন্টারনাল মেমরি। সব থেকে বড় কথা নোকিয়ার এই ফোনে থাকবে ফুল এইচডি ডিসপ্লে। ছবি তোলার জন্য হয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা হবে ৮ মেগাপিক্সেলের।

Stay with us via http://facebook.com/FahadCareInc

অ্যাপ থেকে আয় আসে যেভাবে

Posted on

মোবাইল অ্যাপ থেকে আয় করে মিলিওনিয়ার কিংবা বিলিওনিয়ার হওয়ার খবর প্রায়ই মেলে। দেশেও অনেকে অ্যাপ থেকে প্রচুর আয় করেন বলে শোনা যায়। অনেকের কাছে বিষয়টি একটু ধোয়াসা। ফ্রি অ্যাপ থেকে কিভাবে এত আয় হয় তা নিয়ে তাদের বিস্ময়। বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখা যাক।

mobile-apps-development

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্মার্টফোনের ব্যবহার। সময়টা এখন স্মার্টফোনের তা হরহামেশাই বলে থাকেন অনেকে। তো এ ডিভাইসের এত জনপ্রিয়তা পাবার কারণ কি? একটু খুঁজলেই মিলবে এর উত্তর। এর পেছনে রয়েছে আসলে অ্যাপ বা অ্যাপ্লিকেশনের জয় জয়াকার। এখন অনেক কাজ সহজ করে দিয়েছে এসব অ্যাপ। এ কারণে স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। বাড়ছে নতুন অ্যাপের চাহিদাও।

চাহিদা বাড়ায় ডেভেলপাররা ঝুঁকছেন নানা ধরনের অ্যাপ তৈরির কাজে। কোন অ্যাপ তৈরি করে তারা কিভাবে আয় করেন এমন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এ লেখায়।

মূলত তিন ধরনের অ্যাপ তৈরি করেন ডেভেলপাররা। তাই আয় বা রেভেনিউয়ের ভিত্তিতে মোবাইল অ্যাপ হয় তিন ধরনের। এসব অ্যাপ আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে বেশি জনপ্রিয়।

আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম দু’টির জন্যই রয়েছে অ্যাপল ও গুগলের নিজস্ব মার্কেট প্লেস।

পেইড অ্যাপ
যখন ডেভেলপাররা পেইড অ্যাপ তৈরি করে মার্কেটপ্লেসগুলোতে উন্মুক্ত করেন, তখন কোনো ইউজার সেটা ব্যবহার করতে গেলে নির্দিষ্ট অংকের টাকা পে করে অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারে।

এ ক্ষেত্রে কোনো অ্যাপের দাম ৯৯ সেন্টও হতে পারে, পাঁচ ডলারও হতে পারে। কোনো অ্যাপের দাম যদি ৫ ডলার হয় এবং সেটা একশ’টা বিক্রি হলে তবে ডেভেলপার ৫০০ ডলার পাবেন ব্যাপারটা এমন নয়।

এ আয়ের ৩০ শতাংশ অ্যাপ স্টোরগুলো নিয়ে যাবে। মানে ৫০০ ডলার থেকে ডেভেলপার পাবেন ৩৫০ ডলার। তবে স্টোর ভেদে এটা কম বেশি হতে পারে। বাংলাদেশের জন্য গুগল প্লে স্টোরে পেইড অ্যাপ সাপোর্ট করে না।

ইন অ্যাপ পার্চেজ
এক্ষেত্রে মূল অ্যাপটি ফ্রি। কিন্তু অ্যাপের ভেতরে কিছু সুবিধা পেতে ব্যবহারকারীকে ডলার খরচ করতে হবে। যেমন, ক্ল্যাশ অব ক্ল্যান গেইমটি সম্পূর্ন ফ্রি। কিন্তু গেইমটি খেলতে গেলে দ্রুত ভালো করতে গেলে জেমস কিনতে হয়। এ থেকেই ডেভেলপার আয় করেন। তবে এক্ষেত্রেও স্টোরগুলোকে একটা পার্সেন্টেজ দিয়ে দিতে হবে।

বর্তমানে ইন অ্যাপ পার্চেজ অ্যাপের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশের জন্য গুগল প্লে স্টোরে এখনও পেইড অ্যাপের মত ইন অ্যাপ পার্চেজ সাপোর্ট করে না। তাই দেশি ডেভেলপারদের শুধু ফ্রি অ্যাপ আপলোড করতে হয়।

ফ্রি অ্যাপ
গুগল প্লে স্টোরে বাংলাদেশ থেকে ডেভেলপারদের করা অ্যাকাউন্ট থেকে শুধু ফ্রি অ্যাপ   অ্যাপলোড করা যায়। এক্ষেত্রে ডেভেলপাররা শুধ ফ্রি অ্যাপ আপলোড করেন। এ থেকে আয় করতে তারা বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেন।

বিজ্ঞাপন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাডমব। এ বিজ্ঞাপনুলো সাধারণত কস্ট পার ক্লিক/কস্ট পার মাইল ভিত্তিতে পে করে থাকে ডেভেলপারদের। এভাবেই ফ্রি অ্যাপ থেকে আয় করে থাকেন ডেভেলপাররা।

ফিরে আসছে নোকিয়া

Posted on Updated on

nokia-back

অনেক অপেক্ষার পর একসময়ের জনপ্রিয় মোবাইল ফোন কোম্পানি নোকিয়া তাহলে ফিরে আসছে। এক সময়ে প্রবল প্রতাপে রাজত্ব করা নকিয়া ঘোষণা করেছে যে, তারা ফোন, স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট নিয়ে শীঘ্রই প্রত্যাবর্তন করছে। আর নিঃসন্দেহে তাদের ফোনগুলি হবে অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট।

ফিনল্যান্ডে এইচএমডি নামে একটি নতুন কোম্পানি গঠিত হয়েছে। কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন আর্তো ন্যুমেলা। তিনি পূর্বে নকিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন এবং বর্তমানে মাইক্রোসফট কোম্পানির ফোন ডিভিশনের ব্যবস্থাপনা দেখছেন।

নতুন কোম্পানি এইচএমডি নকিয়াকে নিয়ে আলোচনা করবে এবং এই ব্র্যান্ডটি কেমন করে কী মানে কাজ করবে তা নির্ধারণ করবে যেন তা ক্রেতা সাধারণের প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ তারা মানসম্মত, সুন্দর ডিজাইনের ক্রেতা-বান্ধব ফোন তৈরির বিষয়ে গুরুত্ব দেবে।

এইচএমডি আগামী ৩ বছরে নকিয়ার নাম পুনোরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক বাজারে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। কারণ উৎপাদন না থাকায় নকিয়া নামটির উপরে বিগত বছরগুলিতে ধুলার স্তর জমে গেছে। আর এখনই সময় সেই ধুলোর পরত মুছে সামনে এগিয়ে যাবার।

অন্যদিকে ফক্সকনের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো এফআইএইচ মোবাইল লিমিটেড। এই কোম্পানি ২০১৬ এর মাঝামাঝিতে মাইক্রোসফটের কাছ থেকে ৩৫০ ডলারের বিনিময়ে নকিয়া ফোনের স্বত্ব ফিরে পাবে।

কোম্পানিটি একই সাথে ভিয়েতনামের মাইক্রোসফট মোবাইলের দখলও পেয়ে যাবে। এই কোম্পানিটিতে ৪,৫০০ কর্মী কর্মরত আছেন। এই কর্মীবৃন্দই নকিয়া ব্র্যান্ডের ফোন তৈরি করে থাকেন।

নকিয়া সম্প্রতি এফআইএইচ এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যাতে এই কোম্পানি বিশ্বব্যাপি নকিয়া ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের ব্যবসা পরিচালনায় সহায়তা প্রদানের জন্যে একটি যৌথ অবকাঠামো গড়ে তুলবে।

নকিয়ার ঘোষণা অবশ্য সতর্ক করে দিয়ে বলেছে,‘‘এখনও এইচএমডি এর অনেক কাজ করা বাকী, তাই আপনাদেরকে নকিয়া ফোন ও ট্যাবলেটগুলি দেখতে কেমন হবে তা জানতে একটু লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হবে।”

বাংলাদেশের জাতীয় হ্যাকাথনে সহযোগিতা করবে ফেসবুক

Posted on

বাংলাদেশের জাতীয় হ্যাকাথনে সহযোগিতা করবে ফেসবুক

হ্যাকাথনের ১০ বিজয়ী দলের প্রত্যেককে আশি হাজার ডলার করে সর্বমোট আট লাখ ডলার মূল্যমানের এফবি স্টার্ট প্যাকেজ পুরুষকার হিসেবে প্রদান করবে ফেসবুক। সারা বিশ্বের মোবাইল উদ্ভাবনী উদ্যোগ গুলোকে উৎসাহিত করতে ফেইসবুক এর এই উদ্যোগ চালু রয়েছে। বাংলাদেশের মোবাইল উদ্ভাবন সারা বিশ্বে সাফল্য অর্জনে সহায়তা করার জন্য ফেসবুক এবার জাতীয় হ্যাকাথনে অংশগ্রহণ করলো।

hackathon-fahadcare

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) আয়োজনে টানা দ্বিতীয় বারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “জাতীয় হ্যকাথন-২০১৬”। আগামী ৬ থেকে ৭ এপ্রিল মিরপুরের পুলিশ স্টাফ কলেজ (পিএসসি) কনভেনশ হলে জাতীয় সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধানের জন্য প্রোগ্রামারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় হ্যকাথন-২০১৬। আর এর সহযোগী অংশীদার হোল ফেসবুক।

হ্যাকাথনের ১০ বিজয়ী দলের প্রত্যেককে আশি হাজার ডলার করে সর্বমোট আট লাখ ডলার মূল্যমানের এফবি স্টার্ট প্যাকেজ পুরুষকার হিসেবে প্রদান করবে ফেসবুক। সারা বিশ্বের মোবাইল উদ্ভাবনী উদ্যোগ গুলোকে উৎসাহিত করতে ফেইসবুক এর এই উদ্যোগ চালু রয়েছে। বাংলাদেশের মোবাইল উদ্ভাবন সারা বিশ্বে সাফল্য অর্জনে সহায়তা করার জন্য ফেসবুক এবার জাতীয় হ্যাকাথনে অংশগ্রহণ করলো।

এই পুরুস্কার এর পাশাপাশি বিজয়ী ১০টি দলকে হ্যাকাথন পরবর্তী মেন্টরশিপ সহায়তা প্রদান ও বিজয়ী দলগুলোর উদ্ভাবন প্রচারণায় ফেসবুক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি)।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা (এসডিজি)-এর নির্বাচিত ১০টি লক্ষ অর্জনের জন্য আয়োজিত হচ্ছে এবারের জাতীয় হাকাথন। সারা দেশের সেরা ডেভেলপার, ইউএক্স ডিজাইনার, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপার, সফটওয়ার নির্মাতারা একত্রিত হবে বছরের বড় এই কোডিং ফেস্টিভালে। এসডিজির ১০ টি লক্ষ অর্জনের জন্য যেসব প্রতিবন্ধকতা বিদ্যমান, তা প্রযুক্তি দিয়ে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, সেজন্য তরুণ প্রযুক্তিবিদরা একটানা ৩৬ ঘণ্টা কাজের মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্ভাবনে অংশ নেবেন।

সেরা উদ্ভাবনগুলোকে বাস্তাবায়নের জন্য আইসিটি বিভাগ ভবিষ্যতে সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করবে। ইতিমধ্যে ৫৫৩ টি দলের ৩ হাজার এরও বেশী অংশগ্রহণকারী জাতীয় হাকাথনে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছে, এদের মধ্যে নির্বাচিত ২৫০ টি দল চূড়ান্তভাবে জাতীয় হাকাথনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে।

অংশগ্রহণকারীদের উদ্ভাবনী কার্যক্রমে সহায়তা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট ১০টি মন্ত্রণালয়ের ৪৪ জন বিশেষজ্ঞ নিয়ে ইতিমধ্যে জাতীয় হ্যাকাথনের ডোমেইন এক্সপার্ট দল ও ৯০ জনের টেক-মেন্টর দল প্রস্তুত থাকবে। আরো বিস্তারিত জানা যাবেhttp://hackathon.ictd.gov.bd/ ঠিকানায়।

আমাদের Facebook png 1 350px ফেসবুক পেজের সাথে সংযুক্ত থাকুন

এলটিই প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা চালালো হুয়াওয়ে-সিমেন্স

Posted on Updated on

সিমেন্সের সঙ্গে মিলে কমিউনিকেশন বেইজড ট্রেইন কন্ট্রোল (সিবিটিসি) প্রযুক্তি নির্ভর লং টার্ম ইভোল্যুশন (এলটিই) সেবা পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করল হুয়াওয়ে। ফ্রান্সে গত বছরের শেষের দিকে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালায় হুয়াওয়ে।

lte-hs(fahadcare.wordpress.com)

সিমেন্সের সঙ্গে মিলে কমিউনিকেশন বেইজড ট্রেইন কন্ট্রোল (সিবিটিসি) প্রযুক্তি নির্ভর লং টার্ম ইভোল্যুশন (এলটিই) সেবা পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করল হুয়াওয়ে। ফ্রান্সে গত বছরের শেষের দিকে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালায় হুয়াওয়ে। কার্যক্রমের আওতায় এলটিই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিভাবে সিবিটিসি, প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম (পিআইএস) এবং কোজ্ড-সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) সেবা দেয়া যায় সেসব নিয়ে কাজ করে সিমেন্স ও হুয়াওয়ে।

পরীক্ষা থেকে জানা যায়, বিপুল পরিমাণ ব্যান্ডউইথ, হাই-স্পীড মোবিলিটি, কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) এবং বাধাহীণ উন্নত ডিজিটাল সেবা অনায়াসে উপভোগ করা যাবে এলটিই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এছাড়া সিবিটিসি প্রযুক্তি সেবার ক্ষেত্রে উন্নত ট্রান্সমিশন বিষয়ক যেমন- সিসিটিভি ও পিআইএস সেবা দ্রত এবং নিরাপদে সম্পাদন করা যাবে। সিবিটিসি সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সিমেন্স শক্তিশালী প্রযুক্তি এলটিই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে-এর সঙ্গে মিলে রেলওয়ে ট্রান্সপোর্ট সেবা প্রদান করবে। এ বিষয় নিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠান গঠনমূলক কাজের মাধ্যমে এলটিই প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারে প্রচারণা চালাবে।

গত বছরের মার্চ মাসে সিমেন্স ও হুয়াওয়ে একসঙ্গে কাজ শুরু করে। চীনের সাংহাইতে অবস্থিত হুয়াওয়ে আরএ্যান্ডডি সেন্টারে সিমেন্স ও হুয়াওয়ে এলটিই প্রযুক্তির বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমাধান এবং কিভাবে প্রযুক্তিটি সেবামূলক কাজে ব্যবহার করা যায় সেসব নিয়ে আলোচনা করে। পরে ২০১৫ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠান দুটি মিলিতভাবে কর্ম পরিকল্পনা করে ফ্রান্সে কার্যক্রম শুরু করার ব্যাপারে একমত হয়। ২০১৫ সালের নভেম্বরে ফ্রান্সে প্রযুক্তিগত এবং স্থানীয় সহায়তা নিয়ে সফলভাবে ল্যাবরেটরি টেস্ট সম্পন্ন করে, যার ফলাফল হলো সিবিটিসি, পিআইএস এবং সিসিটিভি সেবার সফল ব্যবহার।

সিবিটিসি সেবাদানকারী সিমেন্স সিবিটিসি প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইপিভিত্তিক, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য দ্বিমুখী ট্র্যাক তৈরি করে তথ্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে ট্রেনে সেবা দেয়ার লক্ষ্যে যা সিবিটিসি সিস্টেম ব্যবহারের প্রাথমিক আবশ্যিক শর্ত।

ট্রেনে নিরাপদ ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এলটিই-এম সল্যুশনভিত্তিক থ্রিজিপিপি ষ্ট্যান্ডার্ডস উদ্ভাবণ করেছে যা রেলওয়ের নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য, মুক্ত, স্থিতিশীল এবং ওয়্যারলেস বা তারহীণ সম্পর্কিত যোগাযোগের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সমর্থ হবে। পাশাপাশি শহরকেন্দ্রিক রেলওয়ে সেবায় উক্ত উদ্ভাবণ ব্যবহার করে রিয়েল-টাইম পিআইএস ও সিসিটিভি সুবিধা পাওয়া যাবে। লম্বা ট্রেন লাইনে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় সেবার মান তুলণামূলকভাবে খারাপ হতে থাকে এবং রেইল খরচও বাড়তে থাকে। ইতিমধ্যে উক্ত এলটিই-এম সল্যুশন চীনের শেনঝেন-এ অবস্থিত মেট্রো লাইন ওয়ান এবং ইথিওপিয়ার আদিস আবাবা লাইট রেইল সফলভাবে যাচাই করেছে।

শহরকেন্দ্রিক রেইল সেক্টরে এলটিই সল্যুশন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের উদ্ভাবিত এলটিই-এম বিভিন্ন দেশের ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। রেইলওয়ে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে এলটিই-এম সল্যুশনের প্রচারণা ও কার্যকর করতে একযোগে কাজ করবে হুয়াওয়ে ও সিমেন্স। এলটিই-এর সফল ল্যাব পরীক্ষার পর রিয়েল ওয়ার্ল্ড-এর জন্য আরও আধুনিক, উদ্ভাবনী ও গঠনমূলক সেবার প্রদানের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে।

আমাদের Facebook png 1 350px ফেসবুক পেজের সাথে সংযুক্ত থাকুন

কম্পিউটার কেনার আগে জেনে নিন

Posted on Updated on

সবারই ইচ্ছা থাকে একটা কম্পিউটার কেনার। কিন্তু একটা ভালো কম্পিউটার কেনার জন্য কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন। আমি আজকে আপনাদের সেইরকম কিছু বিষয়ই জানাবো। কম্পিউটারের ব্যাপারে একেবারেই নতুন, এমন মানুষদের কথা মাথায় রেখেই পোস্টটা সহজ কথায় লেখার চেষ্টা করলাম।

কম্পিউটার কেনার সময় প্রথমেই কয়েকটি জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন:

১) যেখান থেকে কিনেছেন, সেই দোকান ক্রেতাদের কীরূপ গ্রাহক সেবা দেয়। এক্ষেত্রে পরিচিতরা সাহায্য করতে পারে।

২) বাজারে অনেক সময় খোলা হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়। কখনোই এগুলো কিনবেন না।

৩) আপনি কম্পিউটার এক্সপার্ট না হলে অন্ততপক্ষে Processor, Motherboard, RAM, HDD, ODD, Graphics Card, Casing
একই দোকান থেকে কিনবেন। তারাই এগুলো সঠিকভাবে configure করে দিবে।
প্রসেসর: কম্পিউটারের প্রধান জিনিস। এটিই কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে। মূলত একেই CPU বলে। প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর

মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Intel এবং AMD(Advanced Micro Device)। দুইটাই ভালো, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং technology’র দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে Intel ।

প্রসেসর যেহেতু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই এটি কেনার সময় বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।

১) প্রসেসরের clock speed কত, সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও তত বেশি হবে।
২) প্রসেসরের সিরিজ কী, সেটা খেয়াল করতে হবে। সিরিজ যত উন্নত হবে, স্পিড তত বাড়বে। Intel এর প্রথম দিককার প্রসেসর এর মধ্যে রয়েছে, Pentium Series। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে, Celeron series, Core Series, i series। Pentium Series এর মধ্যে, P1(Pentium 1) এর চাইতে P2 ভালো, P2 এর চাইতে P3 ভালো আবার, P3 এর চাইতে P4 ভালো। অর্থাৎ same clock speed এর P1 এর চাইতে P2 এর স্পিড বেশি। আবার, একইভাবে, Pentium Series এর চাইতে Core Series এর স্পিড বেশি। core series এর প্রসেসরগুলোর মধ্যে, Core 2 Quad> Core 2 Duo> Dual Core। আবার core i series এর প্রসেসরগুলোর মধ্যে, Core i7 extreme>Core i7>Core i5>Core i3।
৩) প্রসেসরে কয়টি কোর (Core) এবং কয়টি থ্রেড (Thread) রয়েছে, তা খেয়াল করতে হবে। কোর এবং থ্রেড এর সংখ্যা বেশি হলে স্পিড বাড়বে।
৪) FSB(Font Serial Bus) এর পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB বেশি হলে স্পিড বেশি হবে। যদিও নতুন প্রসেসরগুলোতে FSB ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়
৫) Cache Memory কত, তা লক্ষ্য করতে হবে।ক্যাশ মেমরি যত বেশি হবে কাজ করার ক্ষমতাও তাড়াতাড়ি হবে।
৬) Hyper Threading Technology রয়েছে কিনা, লক্ষ্য রাখবেন। এ প্রযুক্তি Multitasking এর ক্ষেত্রে কাজে লাগে।
৭) Intel Processor এর ক্ষেত্রে, Turbo Boost Technology রয়েছে কিনা, তা লক্ষ্য রাখবেন। এই প্রযুক্তি প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৮) GPU (Graphics Processing Unit) রয়েছে কিনা, দেখবেন। প্রসেসরে GPU থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে External Graphics Card দরকার হয় না।( যদি না আপনি কম্পিউটারে খুবই উন্নতমানের গেম খেলেন অথবা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বা HD ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি কাজ না করেন।)
[শেষ তিনটি অপশন বিশিষ্ট প্রসেসরের দাম সাধারণত বেশি হয়। সাধারণ কাজের জন্য এই সকল অপশনের দরকার নেই।]

মাদারবোর্ড: এই বোর্ডটিতেই কম্পিউটারের সকল যন্ত্রাংশ যুক্ত থাকে।

মেইনবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হল: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। মেইনবোর্ড অবশ্যই প্রসেসর সাপোর্টেড হতে হবে। মেইনবোর্ড এর পোর্ট দুই ধরনের হয়, IDE এবং SATA। তবে বর্তমানে SATA পোর্টের মেইনবোর্ডই দেখা যায়। প্রায় সব SATA পোর্টের মেইনবোর্ডে অন্তত একটি IDE পোর্ট থাকে। প্রয়োজনে IDE to SATA converter ব্যবহারের মাধ্যমে SATA পোর্টের মেইনবোর্ডে IDE device ব্যবহার করা যায়।
মেইনবোর্ড কেনার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, তা হলো:
১) মেইনবোর্ড যেনো প্রসেসর সমর্থিত হয়।
২) RAM এর ধরন। মেইনবোর্ডে RAM এর Slot যেরকম হবে, সেই ধররেনই RAM কিনতে হবে। সর্বাধুনিক RAM টাইপ হল DDR3।
৩) USB Port এর version কত। সর্বাধুনিক হল USB 3.0। [ USB 3.0 এর দাম কিছুটা বেশি]
৪) বর্তমানে সব মেইনবোর্ডেই LAN Card থাকে। তাছাড়া, HD audio এবং HD video ও লক্ষ্য করা যায়। Integrated Graphics এর মান বেশি হলে ভালো হয়।

মনিটর: মনিটরের জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে: Samsung, Philips , LG, Asus, HP, Fujitsu ইত্যাদি। মনিটর কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন:
LCD(Liquid Cristal Display) / LED(Light Emitting Diode) Monitor এর ক্ষেত্রে :

১. আপনার প্রয়োজন অনুসারে স্ক্রিন সাইজ সিলেক্ট করবেন। বর্তমানে অনেক মনিটরেই Built-in TV Tuner থাকে। একই সাথে কম্পিউটারের মনিটর এবং টিভির কাজ করবে এগুলো। TV Tuner না থাকলে প্রয়োজন হলে আপনি পৃথকভাবে TV Tuner কিনতে পারবেন।
২. LCD মনিটরগুলো স্কয়ার এবং ওয়াইড স্ক্রিন এই দুই ধরনের হয়। আপনার কাজের প্রয়োজন অনুসারে আপনি তা select করবেন।
৩. LCD এবং LED মনিটর এর পার্থক্য হল: L16ED মনিটর হল উন্নত প্রকারের LCD মনিটর। তুলনামূলক ভাবে LED মনিটরে ভালো ছবি দেখা যায়। তাছাড়া, LED মনিটরে দেখতেও সাচ্ছন্দ্য বোধ হয়।
৪. কন্ট্রাস্ট রেশিও (Contrast Ratio) লক্ষ্য করবেন। এটি যত বেশি হবে, ছবির মান তত ভালো হবে, মানে ছবি শার্প আসবে।
৫. Response Time কম হলে ভালো হয়।
র‌্যাম : RAM কম্পিউটারের স্পিড বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
RAM এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে Transcend, Twinmos, Adata ইত্যাদি। RAM কেনার সময় এগুলো খেয়াল রাখবেন:
১. RAM এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কম্পিউটারের স্পিড বাড়বে। অর্থাৎ, ১ এই RAM এর চেয়ে ২-এই RAM এর স্পিড বেশি হবে।
২. RAM এর বাস ফ্রিকোয়েন্সি বেশি হলে RAM এর ক্ষমতা বাড়বে।
৩. RAM এর ধরন উন্নত হলে তা কম্পিউটারের গতি আরও বৃদ্ধি করবে। যেমন, DDR3 RAM সমপরিমাণের DDR2 RAM এর চেয়ে শক্তিশালী। তবে মেইনবোর্ডে RAM এর Slot যেমন হবে, সেই RAM কিনতে হবে।

হার্ডডিস্ক: কম্পিউটারের তথ্য এতে জমা থাকে। এটি কম্পিউটারের Virtual RAM হিসেবেও কাজ করে।

এর ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে, Samsung, Transcend, Western Digital, Hitachi ইত্যাদি। এটি কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন:
১. সাধারণভাবেই, হার্ডডিস্ক এর স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হলে বেশি তথ্য জমা রাখতে পারবেন। বাজারে 160 GB থেকে শুরু করে 8 TB হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়।
২. হার্ডডিস্ক এর RPM(Revolutions Per Minute) বেশি হলে এর ডাটা ট্রান্সফার রেট বেশি হবে।
৩. মেইনবোর্ডের পোর্ট SATA হলে হার্ডডিস্কও SATA ই কিনতে হবে।
৪. এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক এর ক্ষেত্রে, আপনার মেইনবোর্ড-এ USB 3.0 খাকলে USB 3.0 হার্ডডিস্ক কেনাই ভালো। কেননা, কয়েক বছরের মধ্যেই USB 2.0 উধাও হয়ে USB 3.0 এর জায়গা নিবে। লক্ষণীয়, এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক স্থায়ী HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায় না, তবে ইন্টারন্যাল HDD, এক্সটারন্যাল HDD এর মতো ব্যবহার করা যায়।
কেসিং: কেসিং হলো Mainboard, HDD, ODD সাজিয়ে রাখার জন্য বক্স। কেসিং এর জন্য ব্র্যান্ড অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে Mercury এবং Gigabyte এর কেসিংগুলো ভালো হয়। কেসিং কেনার সময় নিচের বিষয়টি লক্ষ্য করবেন:
১. কেসিং এর দাম vary করে PSU (Power Supply Unit) এর জন্য। PSU যদি বেশি watt এর হয়, তবে PSU এর দাম বেড়ে যায়। ফলে কেসিং এর দাম বেড়ে যায়। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী PSU select করবেন। যেমন, ভালো এবং বেশি পাওয়ারের এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড, বড় স্কিনের মনিটর ব্যবহার করলে বেশি পাওয়ার এর পাওয়ার সাপ্লাই লাগবে।
ODD(Optical Disk Drive): ODD হল সিডি/ডিভিডি প্লেয়ার/রাইটার।
ODD এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Samsung, Asus, Lite-On ইত্যাদি। লক্ষ্য করুন:
১. বর্তমানে সিডি প্লেয়ার এবং ডিভিডি প্লেয়ার এর মূল্যে পার্থক্য খুবই কম। CD player, DVD play করতে পারে না, কিন্তু DVD player, CD play করতে পারে।
২. আপনি চাইলে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে Combo Drive অথবা DVD writter কিনতে পারেন। Combo drive হলো সেইসব ODD যেগুলো CD Play, DVD play এবং CD write করতে পারে। আর DVD writter দিয়ে আপনি CD play, DVD play, CD write, DVD write সবই করতে পারবেন।
৩. মেইনবোর্ড এর পোর্ট অনুসারে ODD কিনতে হবে।(অন্যথায় converter ব্যবহার করতে হবে।)
৪. ODD এর speed বেশি হলে সিডি-ডিভিডি থেকে দ্রুত ডাটা রিড হবে এবং দ্রুত ডাটা রাইট হবে।
Graphics Card বা AGP Card: ভালো গেম খেলার জন্য বা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর কাজের জন্য ভালো গ্রাফিক্স কার্ড অত্যন্ত প্রয়োজন। গ্রাফিক্স কার্ড প্রধাণত দু্ই কোম্পানীই বানায় এনভিডিয়া এবং এটিআই(বর্তমান নাম এএমডি Radon)। তাদের Chipset অনুযায়ী বিভিন্ন কোম্পানী গ্রাফিক্স কার্ড তৈরি করে। গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ভালো ব্রান্ড হল:
Asus, Gigabyte, Sapphire ইত্যাদি। এটি কেনার সময় নিচের বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন।
১. V-RAM বেশি হলে ভালো গ্রাফিক্স পাবেন।
২. সাধারণত র‌্যাম এর মতই V-RAM এর টাইপ উন্নত হলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। যেমন, DDR1, DDR2, GDDR3, GDDR4, GDDR5. মজার ব্যাপার হচ্ছে এর সাথে আপনার র‌্যামের DDR এর কোন সম্পর্ক নেই। অর্থ্যাৎ আপনার র‌্যাম যদি ডিডিআর৩ হয় গ্রাফিক্স কার্ডও যে জিডিডিআর৩ নিতে হবে এমন কোন কথা নেই। দুটিই আলাদা বিষয়।
৩. এছাড়াও, Clock rate, Memory Bus ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিসের জন্যও গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়।
৪. আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট গেম এর প্রতি আকৃষ্ট হন অথবা নির্দিষ্ট কোন সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করেন, তবে সেই সফটওয়্যারের requirement অনুসারে নির্দিষ্ট গ্রাফিক্স কার্ড কিনবেন।
কী-বোর্ড: কী-বোর্ড কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটি ইনপুট ডিভাইস এর মধ্যে এটি একটি।
কী-বোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Hi-tech, Deluxe, Mercury ইত্যাদি।
এটি কেনার সময় লক্ষ্য করবেন বাংলা অক্ষর রয়েছে কিনা। (Unijoy বা Bijoy লেআউট-এ লেখার জন্য অপরিহার্য)
মাউস: অপর গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস হল এটি।
এর ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Mercury ইত্যাদি।
১. কত DPI(Dots Per Inch) লক্ষ্য করবেন। DPI বেশি হলে সূক্ষ্ণভাবে মাউস দিয়ে কাজ করতে পারবেন।
২. ধরতে সুবিধা হয়, এমন মাউস কিনবেন। এছাড়া বাজারে এখন ওয়্যারলেস মাউস পাওয়া যায়। প্রয়োজনে সেটাও ব্যবহার করতে পারেন।
ইউপিএস: বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য UPS যে অপরিহার্য তা বলার বাইরে।
ব্র্যান্ড: Apollo, Power tech ইত্যাদি। UPS কেনার সময় এগুলো লক্ষ্য করবেন-
১. দুই ধরনের UPS বাজারে পাওয়া যায়। Online UPS এবং Offline UPS। এদের মধ্যে পার্থক্য হল, বিদ্যুৎ চলে গেলে Online UPS on হতে কোনরকম বাড়তি সময় নেয় না। অর্থ্যাৎ বিদ্যুৎ চলে যাবার সাথে সাথে ব্যাকআপ হিসেবে বিদ্যুৎ সরবারহ অব্যহত থাকে। কিন্তু Offline UPS সামান্য সময় নেয়। সম্ভাবনা কম হলেও এই সামান্য সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের পাওয়ার চলে গিয়ে রি-স্টার্ট হতে পারে।
২. আপনার চাহিদা অনুযায়ী UPS এর পাওয়ার select করবেন। মনিটরের স্কিন বড় হলে, বেশি পাওয়ারের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করলে উন্নত প্রসেসর হলে বেশি পাওয়ারের UPS প্রয়োজন। দোকানে আপনার কম্পিউটার কনফিগারেশন বললে তারা সঠিক UPS দিতে পারবে।
৩. সাধারণত একটি UPS এর Back-up time ২০-২৫ মিনিট। এর চেয়ে বেশি Back-up time এর UPS কিনতে হলে মূল্য বেশি হবে।
টিভি কার্ড: সবাই জানেন টিভি কার্ড এর কাজ কি, তাই বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
ভালো ব্র্যান্ড: Avermedia, Real view, Gadmei ইত্যাদি।
স্পিকার: 2:1 এর স্পিকার হল মোট তিনটি স্পিকারের সমষ্টি, যার মধ্যে একটি বড় এবং অন্য দুইটি ছোট। বড় হল উফার এবং ছোটটি হল সাব উফার। উফারটি ব্যাস সাউন্ড এবং সাব উফারটি টেবল প্রদান করে।
গানে আপনার ভালো আসক্তি থাকলে এক্সটার্নাল সাউন্ড কার্ড কিনতে পারেন। তবে বর্তমানে প্রায় সব মেইনবোর্ড এই 5:1 সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে। ফলে আপনি 5:1 স্পিকার ব্যবহার করতে পারেন (এর জন্য 7:2 সাউন্ড কার্ড লাগবে)।
স্পিকারের জন্য ভালো ব্র্যান্ড হলো Creative, Microlab, Logitech ইত্যাদি।